Sunday, February 14, 2021

হোম সুস্বাস্থ্য মস্তিষ্ক শক্তিশালী, সুস্থ এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির উপায়








মস্তিষ্ক শক্তিশালী, সুস্থ এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির

 উপায়

মস্তিষ্ক আমাদের দেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলা চলে। আমাদের দেহ এবং মন পরিচালনার মূল কেন্দ্র হচ্ছে মস্তিষ্ক। তাই অবশ্যই আমাদের মস্তিষ্কের সঠিক ভাবে কাজ করা প্রয়োজন। এক মুহূর্তের জন্য যদি মস্তিষ্ক কাজ করা বন্ধ করে দেয় তাহলে আমাদের মারাত্মক বিপজ্জনক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।

মস্তিষ্ক শক্তিশালী, সুস্থ এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির উপায়
মস্তিষ্ক শক্তিশালী, সুস্থ এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির উপায়

তাই মস্তিষ্ক সঠিক ভাবে সাথে সবকিছু পরিচালিত করতে পারে এবং সুষ্ঠু ভাবে কাজ করতে পারেন এ ব্যাপারে অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে। সুষ্ঠুভাবে কাজ করার পাশাপাশি আমাদের মস্তিষ্ক প্রতিনিয়তই যুগের সাথে সাথে উন্নত এবং বেশি কার্যক্ষমতা সম্পন্ন গড়ে তুলতে হবে।

কারণ আপনার মস্তিষ্কে শক্তি থাকলে আপনার কাছে পৃথিবীর কোন কিছুই অসম্ভব নয়। আপনি ইচ্ছে করলে পুরো বিশ্বকে আপনার মস্তিষ্কের জ্ঞান দ্বারা বদলে দিতে পারেন। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে মস্তিষ্ক প্রদান করেছেন। তবে আমাদের মস্তিষ্কের সঠিক ব্যবহার করতে হবে এবং মস্তিষ্ক এর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে।


কারণ কথায় আছে দুর্বল মস্তিষ্ক বা জ্ঞানহীন ব্যক্তি পশুর সমান। আর আমরা সৃষ্টির সেরা জীব মানুষ আমাদের অবশ্যই সর্ব সেরা কাজ গুলো করতে হবে। আমাদের এমন কিছু প্রদর্শন করতে হবে যা আমরা মানুষ ছাড়া অন্য কোন প্রাণী কখনই করতে পারবেনা।

আর এই মানুষ গুলোর ভিতরে আমাদের বিশেষ কিছু মানুষের তালিকায় অবশ্যই থাকার চেষ্টা করতে হবে। কারন আমরা মানুষ সীমিত কিছু সময়ের জন্য পৃথিবীতে বেঁচে থাকব কিন্তু আমাদের কর্ম এবং আমাদের দক্ষতার প্রশংসা মানুষ হাজার হাজার বছর মনে রাখবে।

আরও পড়ুন.....


তবে অবশ্যই আমাদের প্রশংসা অর্জন করার মত এবং মানুষের স্বার্থে কোন না কোন কাজ অবশ্যই করতে হবে। তবে কোনো কিছুই আমরা মস্তিষ্কের শক্তি ছাড়া করতে পারবোনা। এজন্য অবশ্যই আমাদের মস্তিষ্ক সাধারন মানুষের তুলনায় বেশি ক্ষমতা সম্পন্ন করতে হবে।

না হলে আমরা বিশেষ কিছু মানুষের তালিকায় না যুক্ত হয়ে সাধারণ মানুষের তালিকায় থেকে যাব। তবে এ ছাড়াও অবশ্যই আমাদের সুস্থ স্বাভাবিক ও কর্ম ক্ষমতা সম্পন্ন মস্তিষ্কের প্রয়োজন আছে।

মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ব্যায়াম

আপনি ভুল শুনেননি একদমই সঠিক শুনেছেন, হ্যাঁ মস্তিষ্ক ভালো রাখার জন্য অবশ্যই শারীরিক ব্যায়াম করতে হবে। কারণ মস্তিষ্ক আমাদের শরীরের একটি অংশ আমাদের শারীরিক ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীর সুস্থ রাখতে হবে। না হলে মস্তিষ্ক কিভাবে সুস্থ থাকবে। আর সবচেয়ে অবাক ব্যাপার হলো আমাদের মস্তিষ্ক শরীরের 30% শক্তি ব্যবহার করে।


তাই মস্তিষ্ক সুষ্ঠুভাবে কাজ করার জন্য আমরা কোন শারীরিক পরিশ্রম না করলেও আমাদের শরীরের কিছুটা শক্তি মস্তিষ্ক ব্যবহার করে। তাছাড়া শরীর ভালো না থাকলে কখনোই মন ভালো থাকবে না। আর আমাদের মন খারাপ থাকলে সেটার প্রভাব আমাদের মস্তিষ্কের উপরে পড়ে।

ফলে মস্তিষ্ক তার সঠিক কার্য ক্ষমতা প্রদান করতে ব্যর্থ হয়। তাই মস্তিষ্ক ভালো রাখার জন্য শারীরিক ব্যায়াম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।


তাছাড়া এমন কিছু ব্যায়াম রয়েছে যা মস্তিস্কের রক্ত সঞ্চলন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে । ফলে মস্তিষ্ক বেশি কর্ম ক্ষমতা সম্পন্ন হয়ে উঠতে পারে। মস্তিষ্ক ভালো রাখার জন্য অবশ্যই প্রতিদিন একদম সকালে 30 মিনিট শারীরিক ব্যায়াম অবশ্যই করবেন।

মস্তিষ্ক সুস্থ এবং শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি মাত্র 30 মিনিট ব্যায়াম আপনার শরীর রোগমুক্ত এবং সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। পাশাপাশি আপনার মন ভালো রাখবে এবং সারাদিন আপনি অনেক সতেজ অনুভব করতে পারবেন। যা আপনি সকালে শারীরিক ব্যায়াম অনুশীলণ করার আগে কখনোই অনুভব করেননি।

মস্তিষ্ক ভালো রাখতে বই পড়ুন

বই আমাদের জীবনের আপন একটি বন্ধু। বই জ্ঞান অর্জনের অনেক বড় একটি উৎস। বিশেষ করে পৃথিবীর বিখ্যাত প্রায় সকল ব্যক্তিরাই প্রতিদিন কয়েক ঘণ্টা করে বই পড়তেন। তারা হাজারো ব্যস্ততার মাঝে বই করতে কখনোই ভুলতে না।


আর জ্ঞানী ব্যক্তিদের কথা তো না বললেই নয়। তাছাড়াও বই আমাদের মস্তিষ্কের স্নায়ু তন্ত্র সচল রাখতে সাহায্য করে। তাই এটা স্বাভাবিক যে মস্তিষ্ক ভালোভাবে কাজ করতে পারবে। পাশাপাশি বই করার মাধ্যমে আমাদের অনেক জ্ঞান অর্জন হবে। আর জ্ঞান এর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোন সম্পদ হতেই পারে না।

তাছাড়াও বিভিন্ন প্রকার ম্যাগাজিন পত্রিকা সহ বিভিন্ন জোকস এর বই বা গল্পের বই জ্ঞান বৃদ্ধির পাশাপাশি মস্তিষ্কের কার্য ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং মস্তিষ্কের ব্যায়াম হয়। এজন্য আপনি যতই ব্যস্ত থাকুন না কেন প্রতিদিন কমপক্ষে এক থেকে দুই ঘন্টা মনোযোগ সহকারে বই পড়তে কখনো অলসতা করবেন না।

নতুন নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করা

নতুন নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করা আপনার মস্তিষ্কের জন্য অত্যন্ত ভালো। তাই কৌতুহলী হয়ে প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করুন। তাছাড়া আপনার মাতৃভাষা বাদে নতুন নতুন বিভিন্ন ভাষা শেখার চেষ্টা করতে পারেন।

এটা আপনার স্মৃতিশক্তি মজবুত এবং বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে পাশাপাশি মস্তিষ্ক ভালো রাখবে। তাছাড়াও নতুন নতুন বিভিন্ন বিষয়বস্তু শেখার ফলে আমাদের ভিতরে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়। ফলে আমরা যে কোন কাজ করার অনুপ্রেরণা পাই এবং সফলতার লক্ষ্যে কাজ করে এগিয়ে যেতে পারি।


বিশ্বের বড় বড় জ্ঞানী ব্যক্তিরা খুবই কৌতুহলী ছিলেন এবং তারা নতুন নতুন বিষয় বস্তু শিখতে এবং সেটা সম্পর্কে জানতে খুবই আগ্রহী ছিলেন। তবে কোনো ক্ষেত্রে এমনটা ভাববেন না যে এটা শিখে কি করব এসব আমার কখনো কোন কাজে আসবে না।

তবে অবশ্যই মনে রাখবেন আপনি যেকোন কিছুই শেখার না কেন। সেটা আপনার কখনোই বিফলে যাবেনা কোন না কোন কাজে অবশ্যই আসবে। তবে আপনার আজ কোন কাজে নাও আসতে পারে। তবে ভবিষ্যতে কোনো না কোনো সময় অবশ্যই দেখবেন এই কৌতূহলবশত কিছু শিক্ষা আপনার বড় কোনো উপকার করেছে।

কারো উপরে নির্ভরশীল হওয়া বন্ধ করুন

হ্যাঁ কারো উপরে নির্ভরশীল হওয়া অবশ্যই বন্ধ করুন তবে এটা হতে পারে কোন ইলেকট্রনিক্স যন্ত্র অথবা কোন ব্যক্তি।উদাহরণ স্বরূপ এরকম যে, আপনি কোন গণিত সমাধান করছেন। এটা ক্যালকুলেটর ছাড়া নিজে নিজে হিসাব করে বের করা সম্ভব।


এক্ষেত্রে আপনি ক্যালকুলেটর এর উপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজে নিজে চেষ্টা করে সমাধান করতে পারেন। পাশাপাশি কোন ব্যক্তি বা মানুষের ক্ষেত্রে যদি বলি তাহলে কোন কাজ বা কোন প্রশ্নের উত্তর আপনি অন্য কারো মাধ্যমে সমাধান করার চেষ্টা করছেন।

বিশেষ করে এসব ক্ষেত্রে আপনার মস্তিষ্ক অলস হয়ে পড়ে এবং তার সঠিক কর্ম ক্ষমতা প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হয়। আপনি অবশ্যই যে কোন কিছু নিজের মস্তিষ্ক দ্বারা চিন্তা করে নিজের সমাধান করার চেষ্টা করবেন। শুরুতে আপনি অনেক সময় ব্যর্থ হলেও এক সময় আপনি নিজেই যেকোনো কিছু সমাধান করতে পারবেন মনে রাখবেন। আপনার দ্বারা কোন কিছুই অসম্ভব নয়।

পর্যাপ্ত পরিমাণে অবশ্যই ঘুমাবেন

মস্তিষ্ক ভালো রাখার জন্য পরিমিত পরিমাণে অবশ্যই ঘুমাতে হবে। আপনার মস্তিষ্ক সক্ষম রাখার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সারা দিন কোনো না কোনো কিছু ভাবি কিছু না কিছু অবশ্যই করি।


সারাদিন এত কিছুর পরে আমাদের শরীর ও মস্তিষ্ক অবশ্যই পরিশ্রান্ত হয়ে পড়ে। এক্ষেত্রে বিশ্রামের জন্য অবশ্যই পরিমিত পরিমাণে ঘুমানো দরকার। পরিমিত পরিমাণে কোন আপনার মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে এবং স্মৃতিশক্তি ঠিক রাখতে সাহায্য করবে।

মস্তিষ্ক ভালো রাখার জন্য সুষম খাবার

মস্তিষ্ক ভালো রাখার জন্য অবশ্যই আমাদের সুষমা এবং পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। তবে অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে আমাদের প্রতিনিয়ত খাদ্য গুলো যেন প্রাকৃতিক হয়। মস্তিষ্ক ভালো রাখার ক্ষেত্রে বিশেষ করে সবুজ শাকসবজি খেতে পারেন।

তাছাড়াও সামুদ্রিক মাছ খেতে পারেন। সামুদ্রিক মাছ আপনার মস্তিষ্ক ভালো রাখার পাশাপাশি শরীরের ক্যালসিয়াম এবং অন্যান্য পুষ্টি চাহিদা পূরণ করতে সহায়তা করবে। মস্তিষ্ক সুস্থ রাখার জন্য মিষ্টি কুমড়ার বিচি উপকারী।


আর অবশ্যই পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করলে আমাদের দেহের দূষিত এবং বর্জ্য পদার্থ দূর হওয়ার পাশাপাশি দেহে পানিশূন্যতা পূরন হবে। এবং মস্তিষ্ক সচল ওর সুস্থ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করবে।

মৌসুম অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের ফল খেতে পারেন। বিভিন্ন ধরনের ফল আমাদের শরীরের পুষ্টি চাহিদা পূরণ করে এবং বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্ত রাখে পাশাপাশি আমাদের মস্তিষ্ক সুস্থ সবল রাখে। মস্তিষ্ক ভালো রাখার জন্য যেসব খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।

আরও পড়ুন....


বিশেষ করে প্যাকেটজাত খাবার খাওয়া পরিহার করতে হবে। কারণ এসব কৃত্তিম খাবার আমাদের শরীরের জন্য যে রকম ক্ষতিকর তেমনি মস্তিষ্কের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এসব খাবারে তেল, চর্বি সহ নানা রকমের রাসায়নিক উপাদান থাকে। যা আমাদের স্বাস্থ্য খারাপ হওয়ার পাশাপাশি মস্তিষ্কের ক্ষতি করে।

অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার ত্যাগ করুন। মস্তিষ্ক ভালো রাখতে চাইলে বেশি চিনিযুক্ত খাবার কখনোই খাওয়া যাবে না। নিযুক্ত খাবার আমাদের মস্তিষ্কের মনোযোগ এবং নতুন কিছু শিখতে বাধার সৃষ্টি করতে পারে। তাছাড়াও যুক্ত খাবার আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক পাশাপাশি মস্তিষ্কের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।


মস্তিষ্ক ভালো রাখার ইচ্ছা থাকলে লবণাক্ত খাবার ত্যাগ করা উচিত। লবণ আমাদের স্বাস্থ্যের নানা রকম ক্ষতি করে। তাছাড়া লবণ এবং লবণাক্ত খাবার আমাদের শরীরে নানা প্রকার রোগ সৃষ্টি করার জন্য দায়ী। এছাড়াও লবণাক্ত খাবার আমাদের মস্তিষ্কের জন্য একদমই ভালো নয়।

মস্তিষ্ক সুস্থ সবল এবং স্মৃতিশক্তি মজবুত রাখার জন্য ফ্যাট, তেল, চর্বি জাতীয় খাবার এখন থেকে ত্যাগ করতে হবে। এসব খাবার যেমন আপনার মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর তেমনি আপনার স্বাস্থ্যের নানা রকম রোগ সৃষ্টির জন্য দায়ী।


তাছাড়াও বিশেষ করে আপনার শরীরের অতিরিক্ত মেদ এবং চর্বি সমস্যা সৃষ্টির অন্যতম কারণ। তাই এধরনের ক্ষতিকারক খাবার ত্যাগ করে অবশ্যই আপনাকে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে হবে। আপনার শরীর সুস্থ থাকবে এবং মস্তিষ্ক সুস্থ থাকার পাশাপাশি শক্তিশালী থাকবে।

বিশেষ করে আপনার মস্তিষ্ক কে কখনোই আপনি দুর্বল মনে করবেন না। আপনি যেকোন ধরনের চাপ নেওয়ার জন্য এবং সেটা মেনে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকবেন। আপনি ভিতর থেকে নিজেকে দুর্বল মনে করলে আপনার মস্তিষ্ক ক্ষমতা সম্পন্ন থাকা সত্ত্বেও দুর্বল এর মত কাজ করবে Iftekhar uddin chowdhury. good match maker ,digital marker,

Thursday, February 11, 2021

How Can u make u life better ?

 

  1. Do intermittent fasting for your physical health. It includes early dinner (by 7 P.M.) and late first meal (by 10–11 A.M). It has enormous benefits. Your life will be better.
  2. Do intermittent fasting thing with your mobile phone and gadgets. Don’t touch the phone. Just answer important calls. You will feel more productive and your happiness will boost. Studies show that happiness is inversely proportional to social media access. Your life will be better.
  3. Eat clean. Include raw fruits into your daily meal. If you can’t buy fruits include raw veggies into your diet. Don’t go for fancy salads. Just take cucumbers, carrots, tomatoes and start munching. Your life will be better.
  4. Just like the diet is clean, keep your virtual feed clean. Exposure to violent content, fearsome content and vulgar videos affects the mind in dimensions unfathomable. Later you feel agitated, anxious and aroused unknowingly. If you can do this, your life will be better.
  5. Work in sync with nature. See the birds are awake before the sunrise. They are very alert and conscious of the surroundings without any clock. Following the nature’s clock will do wonders to your health. Your life will be better.
  6. Spend time amidst Nature because you are made of the five elements of Nature and not your concrete possessions and your virtuous qualifications. Changes in Nature, changes your body and you can consciously sense that. Your life will be better.
  7. Read like there’s no tomorrow. Keep a check on what your read. Reading is good but the content will affect your mind and life. If it’s disturbing and you can’t handle that, don’t read it. Your life will be better.
  8. Don’t worry if you earn less. Don’t try to attract women by earning more. There’s no point in getting gratification by impressing such women. There’s no need of validation from such people. If you understand this your life will feel better.
  9. Don’t worry about losing him/her you feel is your world. Giving time, attention and love is important but losing yourself is not worth. Let go of that someone when they feel like. Don’t stop him/her. If you feel secure, your life will be better.
  10. Don’t worry about not getting love from your parents, spouse, partner, friends etc. Love is something we give. Love is something we feel. It’s a weird sweetness and calmness. Love is the essence of life which keeps us ecstatic. Giving love to everyone around you will definitely make your life the best.

Tuesday, February 9, 2021

 

ডি ওয়াই ডি এফ কর্তৃক কক্সবাজার জেলা যুব সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ডি ওয়াই ডি এফ কর্তৃক কক্সবাজার জেলা যুব সম্মেলন অনুষ্ঠিত
কক্সবাজারে ডিওয়াইডিএফের যুব সম্মেলনে সম্মাননা তুলে দিচ্ছেন অতিথিবৃন্দ
ধ্রুবতারা ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (ডি ওয়াই ডি এফ) একটি শীর্ষস্থানীয়, সর্ববৃহৎ তরুন তরুনীদের নিয়ে সংগঠিত অরাজনৈতিক, যুববান্ধব, সামাজিক ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে উক্ত সংগঠনটি সারা বাংলাদেশব্যাপী প্রায় ৪৫ টি জেলায় টেকসই আত্মসামাজিক উন্নয়নে বিশেষত যুবকদের ক্ষমতায়নে কাজ করে যাচ্ছে। সংগঠনটি ২০১৪ সালে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রাণালয় থেকে শ্রেষ্ট যুব সংস্থা পুরস্কার লাভ করে। ২০১৬ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থেকে ন্যাশনাল ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড ও ২০১৭ সালে কুইন্স ইয়াং লিডার অ্যাওয়ার্ড লাভ  করে। গত ৫ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার বিকাল ৪টায় কক্সবাজার জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উক্ত সংগঠনটি কক্সবাজার শাখা কর্তৃক জেলা যুব সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। অধ্যাপক উজ্জল দেব এর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক। সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘তরুণরা হচ্ছে অমিত শক্তির অধিকারী। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গঠনে তরুণরা যদি তাদের মেধা, মনন ও সৃজনী শক্তিকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারে তবেই জাতির পিতার স্বপ্ন স্বার্থক ও সফল হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কক্সবাজার জেলায় যে উন্নয়নের জোয়ার চলছে সেখানেও তরুণরা উদ্যোগী হয়ে তাদের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠতে পারে।’ সম্মেলনে মূখ্য আলোচক উক্ত সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও শেখ হাসিনা যুব উন্নয়ন ইনষ্টিটিউট এর নির্বাহী সদস্য জনাব অমিয় প্রাপন চক্রবর্তী (অর্ক) বলেন, ‘বিশ্বায়নের এই যুগে তরুণরাই হচ্ছে মূল চালিকা শক্তি এবং তাদের মধ্যে নিহিত রয়েছে অপরিমেয় সম্ভাবনা। তিনি আরও বলেন, ‘তরুণরা প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে নিজেকে একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে পারে এবং ‘চাকুরী নেয়া নয়,চাকুরী দেয়া’ এই মূলমন্ত্রে আত্মপ্রত্যয়ী হয়ে উঠতে পারে। সম্মেলনে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও বিশেষ করে করোনাকালীন সময়ে ডাক্তার ও বিভিন্ন সংস্থার অবদানের স্বীকৃত স্বরূপ ধ্রæবতারা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড’২১ প্রদান করা হয়। কক্সবাজার সদর হাসাপাতালে ৩জন ডাক্তার যথাক্রমে- ডা. শাহীন আব্দুর রহমান চৌধুরী (আর.এম.ও), ডা. ইয়াছির আরাফাত (মেডিসিন বিশেষজ্ঞ) ও ডা. আশিকুর রহমান (জরুরী মেডিকেল অফিসার) কে কোভিট-১৯ যোদ্ধা হিসেবে এবং প্রত্যক্ষভাবে ফিল্ডে কাজ করার জন্য দুটি সংস্থা যথাক্রমে- সুর্যের হাসি যুব সংঘ ও হাসিমুখ ফাউন্ডেশনকে অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। উক্ত সংস্থার পক্ষ থেকে কবি নুরুল হক বুলবুল ও মাহবুব কাউছার এবং সোস্যাল অ্যাক্টিভিস্ট হিসেবে কমরেড গিয়াস উদ্দিন, ট্যুরস অপারেটরস অনার্স এসোসিয়েশন অব কক্সবাজার (টুয়াক) পক্ষ থেকে এম রেজাউল করিম, প্রধান অতিথির হাত থেকে উক্ত অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন। কক্সবাজারে উচ্চ শিক্ষা প্রসারে অবদানের জন্য কক্সবাজার সিটি কলেজের অধ্যক্ষ জনাব ক্যথিং অং মহোদয়কে জেলা শ্রেষ্ঠ শিক্ষাবিদ স্বীকৃতি স্বরূপ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। পরিশেষে অমিয় প্রাপন চক্রবর্তী ৪১ সদস্য বিশিষ্ট জেলা কমিটি অনুমোদন দেন। এতে পুণরায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে স্থান পান অধ্যাপক উজ্জল দেব ও সাঈদ ফরহান। হাসনা হোরাইন চৌধুরী সাংগঠনিক সম্পাদক, আরিফুর রহিম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন। বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন কক্সবাজার জেলার সভাপতি ও মাননীয় সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপিকা এথিন রাখাইনকে প্রধান উপদেষ্টা ও কক্সবাজার-২, কক্সবাজার-৩ এর সাংসদদ্বয় যথাক্রমে- আশেক উল্লাহ রফিক, সাইমুম সরওয়ার কমল, সাবেক উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা পরমানু শক্তি কমিশন, ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী ও কমরেড গিয়াস উদ্দিন সভাপতি, কক্সবাজার সোসাইটি সমন্বয়ে উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়।
এই সময় জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও সংস্থার ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির প্রকল্প ও প্রশাসন বিষয়ক পরিচালক সালমান সাকিব প্রমুখ।

Monday, February 8, 2021

I am selected adviser Dhabotara youth development foundation.

ধ্রুবতারা ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (ডি ওয়াই ডি এফ) একটি শীর্ষস্থানীয়, সর্ববৃহৎ তরুন তরুনীদের নিয়

















 সংগঠিত অরাজনৈতিক, যুববান্ধব, সামাজিক ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠার 3শুরু থেকে উক্ত সংগঠনটি সারা বাংলাদেশব্যাপী প্রায় ৪৫ টি জেলায় টেকসই আত্মসামাজিক উন্নয়নে বিশেষত যুবকদের ক্ষমতায়নে কাজ করে যাচ্ছে। সংগঠনটি ২০১৪ সালে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রাণালয় থেকে শ্রেষ্ট যুব সংস্থা পুরস্কার লাভ করে। ২০১৬ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থেকে ন্যাশনাল ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড ও ২০১৭ সালে কুইন্স ইয়াং লিডার অ্যাওয়ার্ড লাভ করে। গত ৫ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার বিকাল ৪টায় কক্সবাজার জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উক্ত সংগঠনটি কক্সবাজার শাখা কর্তৃক জেলা যুব সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। অধ্যাপক উজ্জল দেব এর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক। সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘তরুণরা হচ্ছে অমিত শক্তির অধিকারী। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গঠনে তরুণরা যদি তাদের মেধা, মনন ও সৃজনী শক্তিকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারে তবেই জাতির পিতার স্বপ্ন স্বার্থক ও সফল হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কক্সবাজার জেলায় যে উন্নয়নের জোয়ার চলছে সেখানেও তরুণরা উদ্যোগী হয়ে তাদের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠতে পারে।’ সম্মেলনে মূখ্য আলোচক উক্ত সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও শেখ হাসিনা যুব উন্নয়ন ইনষ্টিটিউট এর নির্বাহী সদস্য জনাব অমিয় প্রাপন চক্রবর্তী (অর্ক) বলেন, ‘বিশ্বায়নের এই যুগে তরুণরাই হচ্ছে মূল চালিকা শক্তি এবং তাদের মধ্যে নিহিত রয়েছে অপরিমেয় সম্ভাবনা। তিনি আরও বলেন, ‘তরুণরা প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে নিজেকে একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে পারে এবং ‘চাকুরী নেয়া নয়,চাকুরী দেয়া’ এই মূলমন্ত্রে আত্মপ্রত্যয়ী হয়ে উঠতে পারে। সম্মেলনে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও বিশেষ করে করোনাকালীন সময়ে ডাক্তার ও বিভিন্ন সংস্থার অবদানের স্বীকৃত স্বরূপ ধ্রæবতারা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড’২১ প্রদান করা হয়। কক্সবাজার সদর হাসাপাতালে ৩জন ডাক্তার যথাক্রমে- ডা. শাহীন আব্দুর রহমান চৌধুরী (আর.এম.ও), ডা. ইয়াছির আরাফাত (মেডিসিন বিশেষজ্ঞ) ও ডা. আশিকুর রহমান (জরুরী মেডিকেল অফিসার) কে কোভিট-১৯ যোদ্ধা হিসেবে এবং প্রত্যক্ষভাবে ফিল্ডে কাজ করার জন্য দুটি সংস্থা যথাক্রমে- সুর্যের হাসি যুব সংঘ ও হাসিমুখ ফাউন্ডেশনকে অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। উক্ত সংস্থার পক্ষ থেকে কবি নুরুল হক বুলবুল ও মাহবুব কাউছার এবং সোস্যাল অ্যাক্টিভিস্ট হিসেবে কমরেড গিয়াস উদ্দিন, ট্যুরস অপারেটরস অনার্স এসোসিয়েশন অব কক্সবাজার (টুয়াক) পক্ষ থেকে এম রেজাউল করিম, প্রধান অতিথির হাত থেকে উক্ত অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন। কক্সবাজারে উচ্চ শিক্ষা প্রসারে অবদানের জন্য কক্সবাজার সিটি কলেজের অধ্যক্ষ জনাব ক্যথিং অং মহোদয়কে জেলা শ্রেষ্ঠ শিক্ষাবিদ স্বীকৃতি স্বরূপ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। পরিশেষে অমিয় প্রাপন চক্রবর্তী ৪১ সদস্য বিশিষ্ট জেলা কমিটি অনুমোদন দেন। এতে পুণরায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে স্থান পান অধ্যাপক উজ্জল দেব ও সাঈদ ফরহান। হাসনা হোরাইন চৌধুরী সাংগঠনিক সম্পাদক, আরিফুর রহিম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন। বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন কক্সবাজার জেলার সভাপতি ও মাননীয় সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপিকা এথিন রাখাইনকে প্রধান উপদেষ্টা ও কক্সবাজার-২, কক্সবাজার-৩ এর সাংসদদ্বয় যথাক্রমে- আশেক উল্লাহ রফিক, সাইমুম সরওয়ার কমল, সাবেক উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা পরমানু শক্তি কমিশন, ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী ও কমরেড গিয়াস উদ্দিন সভাপতি, কক্সবাজার সোসাইটি সমন্বয়ে উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়। এই সময় জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও সংস্থার ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির প্রকল্প ও প্রশাসন বিষয়ক পরিচালক সালমান সাকিব প্রমুখ। Iftekhar uddin chowdhury. আপনার মন্তব্য দিন আপনার নাম আপনার মন্তব্য

Monday, February 1, 2021

Experince is more performance in the office .

আমাদের দেশের খ্যাতনামা অনেক প্রতিষ্ঠাতা শিল্পপতির ভালো লেখাপড়া কিংবা ডিগ্রী ছিল না।তাদের ছিল একাগ্রতা, চেষ্টা, পরিশ্রম, নিষ্ঠা, লক্ষ্যের প্রতি অবিচলতা, লেগে থাকার মানসিকতা এবং কখনোই হাল ছেড়ে না দেওয়া ও কষ্ট সহ্য করার মানসিকতা। এরকম অনেকেই আছেন যাদের ভালো প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রী নেই, কিন্তু চেষ্টা ও পরিশ্রম দিয়ে কর্মক্ষেত্রে বেশ ভালো যোগ্যতার সুতরাং ভালো প্রতিষ্ঠান কিংবা নামিদামী ডিগ্রী নিয়ে দুশ্চিন্তা না করে নিজ লক্ষ্যের প্রতি অবিচল থাকুন।একাগ্রতা নিয়ে চেষ্টা ও পরিশ্রম করে যান। অফিস পলিটিক্সে মন দিবেন না।সবার সাথে ভদ্রভাবে মিশুন। আন্তরিকভাবে কাজ করুন ও নিজের প্রতি সৎ থাকুন।কাজের ভালো ফলাফল তৈরি করুন। সার্টিফিকেটের প্রয়োজন আছে এবং মূল্যও আছে। তবে ফলাফলের বিচারে শুধু সার্টিফিকেট নয়, যোগ্যতারও মূল্যায়ন হবে-এটাই বিশ্বাস করি। যারা চেষ্টা ও পরিশ্রম করছেন, তাদের জন্য সাফল্য আসবেই আসবে ইনশায়াল্লাহ। iftekhar chowdhury.

Iftekhar chowdhury

coxbd201111